Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬ হাদিসসমূহ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তাঁর একটি কাজে পাঠালেন, আমি গেলাম এবং কাজটি সেরে ফিরে এলাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সালাম করলাম। তিনি জওয়াব দিলেন না। এতে আমার মনে এমন খটকা লাগল যা আল্লাহ্ই ভাল জানেন। আমি মনে মনে বললাম, সম্ভবত আমি বিলম্বে আসার কারণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। আবার আমি তাঁকে সালাম করলাম; তিনি জওয়াব দিলেন না। ফলে আমার মনে প্রথম বারের চেয়েও অধিক খটকা লাগল। (সালাত শেষে) আবার আমি তাঁকে সালাম করলাম এবার তিনি সালামের জওয়াব দিলেন এবং বললেনঃ সালাতে ছিলাম বলে তোমার সালামের জওয়াব দিতে পারিনি। তিনি তখন তাঁর বাহনের পিঠে কিবলা হতে অন্যমুখে ছিলেন। (মুসলিম ৫/৭, হাঃ ৫৪০, আহমাদ ১৪৫৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا كثير بن شنظير، عن عطاء بن ابي رباح، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة له فانطلقت، ثم رجعت وقد قضيتها، فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه، فلم يرد على، فوقع في قلبي ما الله اعلم به فقلت في نفسي لعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد على اني ابطات عليه، ثم سلمت عليه فلم يرد على، فوقع في قلبي اشد من المرة الاولى، ثم سلمت عليه فرد على فقال " انما منعني ان ارد عليك اني كنت اصلي ". وكان على راحلته متوجها الى غير القبلة
সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ সংবাদ পৌঁছল যে, কুবায় বনূ আমর ইবনু আওফ গোত্রে কোন ব্যাপার ঘটেছে। তাদের মধ্যে মীমাংসার উদ্দেশে তিনি কয়েকজন সাহাবীসহ বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। ইতোমধ্যে সালাতের সময় হয়ে গেল। বিলাল (রাযি.) আবূ বাকর (রাযি.)-এর নিকট এসে বললেন, হে আবূ বাকর! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্মব্যস্ত রয়েছেন। এদিকে সালাতের সময় উপস্থিত। আপনি কি লোকদের ইমামাত করবেন? তিনি বললেন, হাঁ, যদি তুমি চাও। তখন বিলাল (রাযি.) সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বললেন এবং আবূ বাকর (রাযি.) এগিয়ে গেলেন এবং তাকবীর বললেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনলেন এবং কাতার ফাঁক করে সামনে এগিয়ে গিয়ে কাতারে দাঁড়ালেন। মুসল্লীগণ তখন তাস্ফীহ্ করতে লাগলেন। সাহল (রাযি.) বলেন, তাসফীহ্ মানে তাস্ফীক (হাতে তালি দেয়া) তিনি আরো বললেন, আবূ বাকর (রাযি.) সালাতে এদিক সেদিক তাকাতেন না। মুসল্লীগণ অধিক (তালি দেয়া) করবে, তিনি লক্ষ্য করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখতে পেলেন। তিনি তাঁকে ইঙ্গিতে সালাত আদায় করার আদেশ দিলেন। তখন আবূ বাকর (রাযি.) তাঁর দু’হাত তুললেন এবং আল্লাহর হাম্দ বর্ণনা করলেন। অতঃপর পিছু হেঁটে পিছনে চলে এসে কাতারে দাঁড়ালেন। আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এগিয়ে গেলেন এবং মুসল্লীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষ করে তিনি মুসল্লীগণের দিকে মুখ করে বললেনঃ হে লোক সকল! তোমাদের কী হয়েছে? সালাতে কোন ব্যাপার ঘটলে তোমরা হাত চাপড়াতে শুরু কর কেন? হাত চাপড়ানো তো মেয়েদের জন্য। সালাতে আদায়রত অবস্থায় কারো কিছু ঘটলে পুরুষরা সুব্হানাল্লাহ্ বলবে। অতঃপর তিনি আবূ বাকর (রাযি.)-এর দিকে লক্ষ্য করে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবূ বাকর! তোমাকে আমি ইঙ্গিত করা সত্ত্বেও কিসে তোমাকে সালাত আদায়ে বাধা দিল? আবূ বাকর (রাযি.) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা ইবনু আবূ কুহাফার* জন্য সমীচীন নয়। (৬৮৪) (আধুনিক প্রকাশনী-ঃ ১১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد رضى الله عنه قال بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم ان بني عمرو بن عوف بقباء كان بينهم شىء، فخرج يصلح بينهم في اناس من اصحابه، فحبس رسول الله صلى الله عليه وسلم وحانت الصلاة، فجاء بلال الى ابي بكر رضى الله عنهما فقال يا ابا بكر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد حبس وقد حانت الصلاة، فهل لك ان توم الناس قال نعم ان شيت. فاقام بلال الصلاة، وتقدم ابو بكر رضى الله عنه فكبر للناس، وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يمشي في الصفوف يشقها شقا، حتى قام في الصف، فاخذ الناس في التصفيح. قال سهل التصفيح هو التصفيق. قال وكان ابو بكر رضى الله عنه لا يلتفت في صلاته، فلما اكثر الناس التفت فاذا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاشار اليه، يامره ان يصلي، فرفع ابو بكر رضى الله عنه يده، فحمد الله، ثم رجع القهقرى وراءه حتى قام في الصف، وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى للناس، فلما فرغ اقبل على الناس فقال " يا ايها الناس ما لكم حين نابكم شىء في الصلاة اخذتم بالتصفيح انما التصفيح للنساء، من نابه شىء في صلاته فليقل سبحان الله ". ثم التفت الى ابي بكر رضى الله عنه فقال " يا ابا بكر، ما منعك ان تصلي للناس حين اشرت اليك ". قال ابو بكر ما كان ينبغي لابن ابي قحافة ان يصلي بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালাতে কোমরে হাত রাখা নিষেধ করা হয়েছে। হিশাম ও আবূ হিলাল (রহ.) ইবনু সীরীন (রহ.)-এর মাধ্যমে আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। (১২২০; মুসলিম ৫/১১, হাঃ ৫৪৫, আহমাদ ৭১৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد، عن ايوب، عن محمد، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال نهي عن الخصر، في الصلاة. وقال هشام وابو هلال عن ابن سيرين، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ্ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোমরে হাত রেখে সালাত আদায় করতে লোকেদের নিষেধ করা হয়েছে। (১২১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪০ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا يحيى، حدثنا هشام، حدثنا محمد، عن ابي هريرة، رضى الله عنه قال نهي ان يصلي الرجل مختصرا
وَقَالَ عُمَرُtإِنِّي لَأُجَهِّزُ جَيْشِي وَأَنَا فِي الصَّلاَةِ. ‘উমার (রাযি.) বলেছেন, আমি সালাতের মধ্যে আমার সেনাবাহিনী বিন্যাসের চিন্তা করে থাকি।* ১২২১. ‘ঊকবাহ ইবনু হারিস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ‘আসরের সালাত আদায় করলাম। সালাম করেই তিনি দ্রুত উঠে তাঁর কোন এক সহধর্মিণীর নিকট গেলেন, অতঃপর বেরিয়ে এলেন। তাঁর দ্রুত যাওয়া আসার ফলে (উপস্থিত) সাহাবীগণের চেহারায় বিস্ময়ের আভাস দেখে তিনি বললেনঃ সালাতে আমার নিকট রাখা একটি সোনার টুকরার কথা আমার মনে পড়ে গেল। সন্ধ্যায় বা রাতে তা আমার নিকট থাকবে আমি এটা অপছন্দ করলাম। তাই, তা বণ্টন করে দেয়ার নির্দেশ দিলাম। (৮৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن منصور، حدثنا روح، حدثنا عمر هو ابن سعيد قال اخبرني ابن ابي مليكة، عن عقبة بن الحارث رضى الله عنه قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم العصر، فلما سلم قام سريعا دخل على بعض نسايه، ثم خرج وراى ما في وجوه القوم من تعجبهم لسرعته فقال " ذكرت وانا في الصلاة تبرا عندنا، فكرهت ان يمسي او يبيت عندنا فامرت بقسمته
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল বলেছেনঃ সালাতের আযান হলে শয়তান পিঠ ফিরিয়ে পালায় যাতে সে আযান শুনতে না পায়। তখন তার পশ্চাদ-বায়ু নিঃসরণ হতে থাকে। মুআয্যিন আযান শেষে নীরব হলে সে আবার এগিয়ে আসে। আবার ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বলা হলে পালিয়ে যায়। মুআয্যিন (ইক্বামাত(ইকামত/একামত)) শেষ করলে এগিয়ে আসে। তখন সে মুসল্লীকে বলতে থাকে, (ওটা) স্মরণ কর, যে বিষয় তার স্মরণে ছিল না। শেষ পর্যন্ত কত রাক‘আত সালাত আদায় করল তা মনে করতে পারে না। আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহ.) বলেছেন, তোমাদের কেউ এরূপ অবস্থায় পড়লে (শেষ বৈঠকে) বসা অবস্থায় যেন দু’টি সিজদা্ করে। এ কথা আবূ সালামাহ (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে শুনেছেন। (৬০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن جعفر، عن الاعرج، قال قال ابو هريرة رضى الله عنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اذن بالصلاة ادبر الشيطان له ضراط حتى لا يسمع التاذين، فاذا سكت الموذن اقبل، فاذا ثوب ادبر فاذا سكت اقبل، فلا يزال بالمرء يقول له اذكر ما لم يكن يذكر حتى لا يدري كم صلى ". قال ابو سلمة بن عبد الرحمن اذا فعل احدكم ذلك فليسجد سجدتين وهو قاعد. وسمعه ابو سلمة من ابي هريرة رضى الله عنه
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকে বলে আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) অধিক হাদীস বর্ণনা করেছে। এক ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ হলে আমি জিজ্ঞেস করলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গতরাতে ‘ইশার সালাতে কোন সূরাহ্ পড়েছেন? লোকটি বলল, আমি জানি না। আমি বললাম, কেন, তুমি কি সে সালাতে উপস্থিত ছিলে না? সে বলল, হাঁ, ছিলাম। আমি বললাম, আমি কিন্তু জানি তিনি অমুক অমুক সূরাহ্ পড়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، قال اخبرني ابن ابي ذيب، عن سعيد المقبري، قال قال ابو هريرة رضى الله عنه يقول الناس اكثر ابو هريرة، فلقيت رجلا فقلت بم قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم البارحة في العتمة فقال لا ادري. فقلت لم تشهدها قال بلى. قلت لكن انا ادري، قرا سورة كذا وكذا