Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬৮ হাদিসসমূহ
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক স্থুল দেহ বিশিষ্ট আনসারী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট আরয্ করলেন, আমি আপনার সঙ্গে (জামা‘আতে) সালাত আদায় করতে পারি না। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উদ্দেশে খাবার তৈরি করে তাঁকে দাওয়াত করে নিজ বাড়িতে নিয়ে এলেন এবং একটি চাটাই এর এক অংশে (কোমল ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্দেশে) পানি ছিটিয়ে (তা বিছিয়ে) দিলেন। তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম )-এর উপরে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। ইবনু জারূদ (রহ.) আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি চাশ্ত-এর সালাত আদায় করতেন? আনাস (রাযি.) বললেন, সেদিন বাদে অন্য সময়ে তাঁকে এ সালাত আদায় করতে দেখিনি। (৬৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن الجعد، اخبرنا شعبة، عن انس بن سيرين، قال سمعت انس بن مالك الانصاري، قال قال رجل من الانصار وكان ضخما للنبي صلى الله عليه وسلم اني لا استطيع الصلاة معك. فصنع للنبي صلى الله عليه وسلم طعاما، فدعاه الى بيته، ونضح له طرف حصير بماء فصلى عليه ركعتين. وقال فلان بن فلان بن جارود لانس رضى الله عنه اكان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الضحى فقال ما رايته صلى غير ذلك اليوم
উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ (রাযি.) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, যখন মুআয্যিন আযান দিতেন এবং ফজর উদিত হত তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৫ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১০ শেষাংশ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال حفظت من النبي صلى الله عليه وسلم عشر ركعات ركعتين قبل الظهر، وركعتين بعدها، وركعتين بعد المغرب في بيته، وركعتين بعد العشاء في بيته، وركعتين قبل صلاة الصبح، وكانت ساعة لا يدخل على النبي صلى الله عليه وسلم فيها. حدثتني حفصة، انه كان اذا اذن الموذن وطلع الفجر صلى ركعتين
উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ (রাযি.) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, যখন মুআয্যিন আযান দিতেন এবং ফজর উদিত হত তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৫ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১১০ শেষাংশ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال حفظت من النبي صلى الله عليه وسلم عشر ركعات ركعتين قبل الظهر، وركعتين بعدها، وركعتين بعد المغرب في بيته، وركعتين بعد العشاء في بيته، وركعتين قبل صلاة الصبح، وكانت ساعة لا يدخل على النبي صلى الله عليه وسلم فيها. حدثتني حفصة، انه كان اذا اذن الموذن وطلع الفجر صلى ركعتين
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে চার রাক‘আত এবং (ফজরের পূর্বে) দু’রাক‘আত সালাত ছাড়তেন না। ইবনু আবূ আদী ও ‘আমর (রহ.) শু‘বাহ (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় ইয়াহ্ইয়া (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (মুসলিম ৬/১৩, হাঃ ৭৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن شعبة، عن ابراهيم بن محمد بن المنتشر، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يدع اربعا قبل الظهر وركعتين قبل الغداة. تابعه ابن ابي عدي وعمرو عن شعبة
‘আবদুল্লাহ্ মুযানী (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা মাগরিবের (ফরযের) পূর্বে (নফল) সালাত আদায় করবে; লোকেরা এ ‘আমলকে সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, এটা কারণে তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ এ তার জন্য যে ইচ্ছা করে। (৭৩৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن الحسين، عن ابن بريدة، قال حدثني عبد الله المزني، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " صلوا قبل صلاة المغرب ". قال في الثالثة لمن شاء كراهية ان يتخذها الناس سنة
মারসাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ ইয়াযানী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উকবাহ ইবনু জুহানী (রাযি.)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে বললাম, আবূ তামীম (রহ.) সম্পর্কে এ কথা বলে কি আমি আপনাকে বিস্মিত করে দিব না যে, তিনি মাগরিবের (ফরয) সালাতের পূর্বে দু’ রাক‘আত (নফল) সালাত আদায় করে থাকেন। ‘উক্বাহ (রাযি.) বললেন, (এতে বিস্ময়ের কী আছে?) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সময়ে তো আমরা তা আদায় করতাম। আমি প্রশ্ন করলাম, তা হলে এখন কিসে আপনাকে বাধা দিচ্ছে? তিনি বললেন, কাজকর্মের ব্যস্ততা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يزيد، قال حدثنا سعيد بن ابي ايوب، قال حدثني يزيد بن ابي حبيب، قال سمعت مرثد بن عبد الله اليزني، قال اتيت عقبة بن عامر الجهني فقلت الا اعجبك من ابي تميم يركع ركعتين قبل صلاة المغرب. فقال عقبة انا كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم. قلت فما يمنعك الان قال الشغل
মাহমূদ (রহ.) বলেন যে, ইতবান ইবনু মালিক আনসারী (রাযি.)-কে (যিনি ছিলেন বদর জিহাদে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে উপস্থিত বদরী সাহাবীগণের অন্যতম) বলতে শুনেছেন যে, আমি আমার কাওম বনূ সালিমের সালাতে ইমামাত করতাম। আমার ও তাদের (কাওমের মসজিদের) মধ্যে ছিল একটি উপত্যকা। বৃষ্টি হলে উপত্যকা আমার মাসজিদ গমনে বাধা সৃষ্টি করতো এবং এ উপত্যকা অতিক্রম করে তাদের মসজিদে যাওয়া আমার জন্য কষ্টকর হতো। তাই আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে হাযির হয়ে আরয করলাম, (হে আল্লাহর রাসূল!) আমি আমার দৃষ্টিশক্তির কমতি অনুভব করছি (উপরন্তু) আমার ও আমার গোত্রের মধ্যকার উপত্যকাটি বৃষ্টি হলে প্লাবিত হয়ে যায়। তখন তা পার হওয়া আমার জন্য কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই আমার একান্ত আশা যে আপনি শুভাগমন করে আমার ঘরের কোন স্থানে সালাত আদায় করবেন; আমি সে স্থানটিকে সালাতের স্থানরূপে নির্ধারিত করে নিব। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, শীঘ্রই তা করবো। পরের দিন সূর্যের উত্তাপ যখন বেড়ে গেল, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবূ বাকর (রাযি.) আসলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (প্রবেশের) অনুমতি চাইলে আমি তাঁকে স্বাগত জানালাম, তিনি উপবেশন না করেই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার ঘরের কোন্ জায়গায় আমার সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর? যে স্থানে সালাত আদায় করা আমার মনঃপূত ছিল, তাঁকে আমি সে স্থানের দিকে ইঙ্গিত করে দিলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন, আমরা সারিবদ্ধভাবে তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। তাঁর সালাম ফেরানোর সময় আমরাও সালাম ফিরালাম। অতঃপর তাঁর উদ্দেশে যে খাযীরা প্রস্তুত করা হচ্ছিল তা আহারের জন্য তাঁর প্রত্যাগমনে আমি বিলম্ব ঘটালাম। ইতিমধ্যে মহল্লার লোকেরা আমার বাড়িতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অবস্থানের সংবাদ শুনতে পেয়ে তাঁদের কিছু লোক এসে গেলেন। এমন কি আমার ঘরে অনেক লোকের সমাগম ঘটলো। তাঁদের একজন বললেন, মালিক (ইবনু দুখায়শিন) করল কী? তাকে দেখছি না যে? তাঁদের একজন জবাব দিলেন, সে মুনাফিক! আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসে না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেনঃ এমন কথা বলবে না। তুমি কি লক্ষ্য করছ না যে, আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ উচ্চারণ করেছে। সে ব্যক্তি বলল, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তবে আল্লাহর কসম! আমরা মুনাফিকদের সাথেই তার ভালবাসা ও আলাপ-আলোচনা দেখতে পাই। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা সে ব্যক্তিকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ উচ্চারণ করে। মাহমূদ (রাযি.) বলেন, এক যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদল লোকের নিকট বর্ণনা করলাম তাঁদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবী আবূ আইয়ুব (আনসারী) (রাযি.) ছিলেন। তিনি সে যুদ্ধে ওফাত পেয়েছিলেন। আর ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়া (রাযি.) রোমানদের দেশে তাদের আমীর ছিলেন। আবূ আইয়ুব (রাযি.) আমার বর্ণিত হাদীসটি অস্বীকার করে বললেন, আল্লাহর কসম! তুমি যে কথা বলেছ তা যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তা আমি বিশ্বাস করতে পারি না। ফলে তা আমার নিকট ভারী মনে হল। তখন আমি আল্লাহর নামে প্রতিজ্ঞা করলাম যে, যদি এ যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত তিনি আমাকে নিরাপদ রাখেন, তাহলে আমি ইত্বান ইবনু মালিক (রাযি.)-কে তাঁর কাউমের মসজিদের বিষয়ে জিজ্ঞেস করবো, যদি তাঁকে জীবিত অবস্থায় পেয়ে যাই। অতঃপর আমি ফিরে চললাম এবং হাজ্জ কিংবা উমরার নিয়্যাতে ইহরাম করলাম। অতঃপর সফর করতে করতে আমি মদিনা্য় উপনীত হয়ে বনূ সালিম গোত্রে উপস্থিত হলাম। দেখতে পেলাম ‘ইত্বান (রাযি.) যিনি তখন একজন বৃদ্ধ ও অন্ধ ব্যক্তি কাউমের সালাতে ইমামাত করছেন। তিনি সালাত সমাপ্ত করলে আমি তাঁকে সালাম দিলাম এবং আমার পরিচয় দিয়ে উক্ত হাদীস সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি প্রথমবারের মতই হাদীসটি আমাকে শুনালেন। (৪২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৯ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
মাহমূদ (রহ.) বলেন যে, ইতবান ইবনু মালিক আনসারী (রাযি.)-কে (যিনি ছিলেন বদর জিহাদে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে উপস্থিত বদরী সাহাবীগণের অন্যতম) বলতে শুনেছেন যে, আমি আমার কাওম বনূ সালিমের সালাতে ইমামাত করতাম। আমার ও তাদের (কাওমের মসজিদের) মধ্যে ছিল একটি উপত্যকা। বৃষ্টি হলে উপত্যকা আমার মাসজিদ গমনে বাধা সৃষ্টি করতো এবং এ উপত্যকা অতিক্রম করে তাদের মসজিদে যাওয়া আমার জন্য কষ্টকর হতো। তাই আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে হাযির হয়ে আরয করলাম, (হে আল্লাহর রাসূল!) আমি আমার দৃষ্টিশক্তির কমতি অনুভব করছি (উপরন্তু) আমার ও আমার গোত্রের মধ্যকার উপত্যকাটি বৃষ্টি হলে প্লাবিত হয়ে যায়। তখন তা পার হওয়া আমার জন্য কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই আমার একান্ত আশা যে আপনি শুভাগমন করে আমার ঘরের কোন স্থানে সালাত আদায় করবেন; আমি সে স্থানটিকে সালাতের স্থানরূপে নির্ধারিত করে নিব। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, শীঘ্রই তা করবো। পরের দিন সূর্যের উত্তাপ যখন বেড়ে গেল, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবূ বাকর (রাযি.) আসলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (প্রবেশের) অনুমতি চাইলে আমি তাঁকে স্বাগত জানালাম, তিনি উপবেশন না করেই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার ঘরের কোন্ জায়গায় আমার সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর? যে স্থানে সালাত আদায় করা আমার মনঃপূত ছিল, তাঁকে আমি সে স্থানের দিকে ইঙ্গিত করে দিলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন, আমরা সারিবদ্ধভাবে তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। তাঁর সালাম ফেরানোর সময় আমরাও সালাম ফিরালাম। অতঃপর তাঁর উদ্দেশে যে খাযীরা প্রস্তুত করা হচ্ছিল তা আহারের জন্য তাঁর প্রত্যাগমনে আমি বিলম্ব ঘটালাম। ইতিমধ্যে মহল্লার লোকেরা আমার বাড়িতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অবস্থানের সংবাদ শুনতে পেয়ে তাঁদের কিছু লোক এসে গেলেন। এমন কি আমার ঘরে অনেক লোকের সমাগম ঘটলো। তাঁদের একজন বললেন, মালিক (ইবনু দুখায়শিন) করল কী? তাকে দেখছি না যে? তাঁদের একজন জবাব দিলেন, সে মুনাফিক! আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসে না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেনঃ এমন কথা বলবে না। তুমি কি লক্ষ্য করছ না যে, আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ উচ্চারণ করেছে। সে ব্যক্তি বলল, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তবে আল্লাহর কসম! আমরা মুনাফিকদের সাথেই তার ভালবাসা ও আলাপ-আলোচনা দেখতে পাই। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা সে ব্যক্তিকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ উচ্চারণ করে। মাহমূদ (রাযি.) বলেন, এক যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদল লোকের নিকট বর্ণনা করলাম তাঁদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবী আবূ আইয়ুব (আনসারী) (রাযি.) ছিলেন। তিনি সে যুদ্ধে ওফাত পেয়েছিলেন। আর ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়া (রাযি.) রোমানদের দেশে তাদের আমীর ছিলেন। আবূ আইয়ুব (রাযি.) আমার বর্ণিত হাদীসটি অস্বীকার করে বললেন, আল্লাহর কসম! তুমি যে কথা বলেছ তা যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তা আমি বিশ্বাস করতে পারি না। ফলে তা আমার নিকট ভারী মনে হল। তখন আমি আল্লাহর নামে প্রতিজ্ঞা করলাম যে, যদি এ যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত তিনি আমাকে নিরাপদ রাখেন, তাহলে আমি ইত্বান ইবনু মালিক (রাযি.)-কে তাঁর কাউমের মসজিদের বিষয়ে জিজ্ঞেস করবো, যদি তাঁকে জীবিত অবস্থায় পেয়ে যাই। অতঃপর আমি ফিরে চললাম এবং হাজ্জ কিংবা উমরার নিয়্যাতে ইহরাম করলাম। অতঃপর সফর করতে করতে আমি মদিনা্য় উপনীত হয়ে বনূ সালিম গোত্রে উপস্থিত হলাম। দেখতে পেলাম ‘ইত্বান (রাযি.) যিনি তখন একজন বৃদ্ধ ও অন্ধ ব্যক্তি কাউমের সালাতে ইমামাত করছেন। তিনি সালাত সমাপ্ত করলে আমি তাঁকে সালাম দিলাম এবং আমার পরিচয় দিয়ে উক্ত হাদীস সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি প্রথমবারের মতই হাদীসটি আমাকে শুনালেন। (৪২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০৯ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা তোমাদের কিছু কিছু সালাত তোমাদের ঘরে আদায় করবে, তোমাদের ঘরগুলোকে কবর বানাবে না। ‘আবদুল ওহ্হাব (রহ.) আইউব (রাযি.) হতে হাদীস বর্ণনায় ওয়াহ্ব (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৩৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الاعلى بن حماد، حدثنا وهيب، عن ايوب، وعبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اجعلوا فى بيوتكم من صلاتكم ولا تتخذوها قبورا ". تابعه عبد الوهاب عن ايوب
حدثني اسحاق، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن ابن شهاب، قال اخبرني محمود بن الربيع الانصاري، انه عقل رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعقل مجة مجها في وجهه من بير كانت في دارهم. فزعم محمود انه سمع عتبان بن مالك الانصاري رضى الله عنه وكان ممن شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كنت اصلي لقومي ببني سالم، وكان يحول بيني وبينهم واد اذا جاءت الامطار فيشق على اجتيازه قبل مسجدهم، فجيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت له اني انكرت بصري، وان الوادي الذي بيني وبين قومي يسيل اذا جاءت الامطار فيشق على اجتيازه، فوددت انك تاتي فتصلي من بيتي مكانا اتخذه مصلى. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سافعل ". فغدا على رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر رضى الله عنه بعد ما اشتد النهار فاستاذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذنت له فلم يجلس حتى قال " اين تحب ان اصلي من بيتك ". فاشرت له الى المكان الذي احب ان اصلي فيه، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر وصففنا وراءه، فصلى ركعتين، ثم سلم وسلمنا حين سلم، فحبسته على خزير يصنع له فسمع اهل الدار رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي فثاب رجال منهم حتى كثر الرجال في البيت. فقال رجل منهم ما فعل مالك لا اراه. فقال رجل منهم ذاك منافق لا يحب الله ورسوله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقل ذاك الا تراه قال لا اله الا الله. يبتغي بذلك وجه الله ". فقال الله ورسوله اعلم. اما نحن فوالله لا نرى وده ولا حديثه الا الى المنافقين. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فان الله قد حرم على النار من قال لا اله الا الله. يبتغي بذلك وجه الله ". قال محمود فحدثتها قوما فيهم ابو ايوب صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوته التي توفي فيها ويزيد بن معاوية عليهم بارض الروم، فانكرها على ابو ايوب قال والله ما اظن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما قلت قط. فكبر ذلك على فجعلت لله على ان سلمني حتى اقفل من غزوتي ان اسال عنها عتبان بن مالك رضى الله عنه ان وجدته حيا في مسجد قومه، فقفلت فاهللت بحجة او بعمرة، ثم سرت حتى قدمت المدينة فاتيت بني سالم، فاذا عتبان شيخ اعمى يصلي لقومه فلما سلم من الصلاة سلمت عليه واخبرته من انا، ثم سالته عن ذلك الحديث فحدثنيه كما حدثنيه اول مرة
حدثني اسحاق، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن ابن شهاب، قال اخبرني محمود بن الربيع الانصاري، انه عقل رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعقل مجة مجها في وجهه من بير كانت في دارهم. فزعم محمود انه سمع عتبان بن مالك الانصاري رضى الله عنه وكان ممن شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كنت اصلي لقومي ببني سالم، وكان يحول بيني وبينهم واد اذا جاءت الامطار فيشق على اجتيازه قبل مسجدهم، فجيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت له اني انكرت بصري، وان الوادي الذي بيني وبين قومي يسيل اذا جاءت الامطار فيشق على اجتيازه، فوددت انك تاتي فتصلي من بيتي مكانا اتخذه مصلى. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سافعل ". فغدا على رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر رضى الله عنه بعد ما اشتد النهار فاستاذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذنت له فلم يجلس حتى قال " اين تحب ان اصلي من بيتك ". فاشرت له الى المكان الذي احب ان اصلي فيه، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر وصففنا وراءه، فصلى ركعتين، ثم سلم وسلمنا حين سلم، فحبسته على خزير يصنع له فسمع اهل الدار رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي فثاب رجال منهم حتى كثر الرجال في البيت. فقال رجل منهم ما فعل مالك لا اراه. فقال رجل منهم ذاك منافق لا يحب الله ورسوله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقل ذاك الا تراه قال لا اله الا الله. يبتغي بذلك وجه الله ". فقال الله ورسوله اعلم. اما نحن فوالله لا نرى وده ولا حديثه الا الى المنافقين. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فان الله قد حرم على النار من قال لا اله الا الله. يبتغي بذلك وجه الله ". قال محمود فحدثتها قوما فيهم ابو ايوب صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوته التي توفي فيها ويزيد بن معاوية عليهم بارض الروم، فانكرها على ابو ايوب قال والله ما اظن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما قلت قط. فكبر ذلك على فجعلت لله على ان سلمني حتى اقفل من غزوتي ان اسال عنها عتبان بن مالك رضى الله عنه ان وجدته حيا في مسجد قومه، فقفلت فاهللت بحجة او بعمرة، ثم سرت حتى قدمت المدينة فاتيت بني سالم، فاذا عتبان شيخ اعمى يصلي لقومه فلما سلم من الصلاة سلمت عليه واخبرته من انا، ثم سالته عن ذلك الحديث فحدثنيه كما حدثنيه اول مرة