Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬৬ হাদিসসমূহ
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর এবং ‘উমার (রাযি.)-এর যুগে জুমু‘আহর দিন ইমাম যখন মিম্বারের উপর বসতেন, তখন প্রথম আযান দেয়া হত। অতঃপর যখন ‘উসমান (রাযি.)-এর খিলাফাতের সময় এল এবং লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেল, তখন জুমু‘আহর দিন তৃতীয়* আযানের নির্দেশ দেন। ‘যাওরা’ নামক স্থান হতে এ আযান দেয়া হয়, পরে এ আযানের সিলসিলা চলতে থাকে। (৯১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬৩ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن مقاتل، قال اخبرنا عبد الله، قال اخبرنا يونس، عن الزهري، قال سمعت السايب بن يزيد، يقول ان الاذان يوم الجمعة كان اوله حين يجلس الامام يوم الجمعة على المنبر في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وابي بكر وعمر رضى الله عنهما فلما كان في خلافة عثمان رضى الله عنه وكثروا، امر عثمان يوم الجمعة بالاذان الثالث، فاذن به على الزوراء، فثبت الامر على ذلك
وَقَالَ أَنَسٌ خَطَبَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ আনাস (রাযি.) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বার হতে খুৎবাহ দিতেন। ৯১৭. আবূ হাযিম ইবনু দ্বীনার হতে বর্ণিত যে, (একদিন) কিছু লোক সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদীর নিকট আগমন করে এবং মিম্বরটি কোন্ কাঠের তৈরি ছিল, এ নিয়ে তাদের মনে প্রশ্ন জেগে ছিল। তারা এ সম্পর্কে তাঁর নিকট জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি সম্যকরূপে অবগত আছি যে, তা কিসের ছিল। প্রথম যেদিন তা স্থাপন করা হয় এবং প্রথম যে দিন এর উপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসেন তা আমি দেখেছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের অমুক মহিলার (বর্ণনাকারী বলেন, সাহল (রাযি.) তার নামও উল্লেখ করেছিলেন) নিকট লোক পাঠিয়ে বলেছিলেন, তোমার কাঠমিস্ত্রি গোলামকে আমার জন্য কিছু কাঠ দিয়ে এমন জিনিস তৈরি করার নির্দেশ দাও, যার উপর বসে আমি লোকদের সাথে কথা বলতে পারি। অতঃপর সে মহিলা তাকে আদেশ করেন এবং সে (মদিনা হতে নয় মাইল দূরবর্তী) গাবা’র ঝাউ কাঠ দ্বারা তা তৈরি করে নিয়ে আসে। মহিলাটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট তা পাঠিয়েছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আদেশে এখানেই তা স্থাপন করা হয়। অতঃপর আমি দেখেছি, এর উপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেছেন। এর উপর উঠে তাকবীর দিয়েছেন এবং এখানে (দাঁড়িয়ে) রুকূ‘ করেছেন। অতঃপর পিছনের দিকে নেমে এসে মিম্বারের গোড়ায় সিজদা্ করেছেন এবং (এ সিজদা্) পুনরায় করেছেন, অতঃপর সালাত শেষ করে সমবেত লোকদের দিকে ফিরে বলেছেনঃ হে লোক সকল! আমি এটা এ জন্য করেছি যে, তোমরা যেন আমার অনুসরণ করতে এবং আমার সালাত শিখে নিতে পার। (৩৭৭; মুসলিম ৫/০ হাঃ ৫৪৪৪, আহমাদ ২২১৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري القرشي الاسكندراني، قال حدثنا ابو حازم بن دينار، ان رجالا، اتوا سهل بن سعد الساعدي، وقد امتروا في المنبر مم عوده فسالوه عن ذلك فقال والله اني لاعرف مما هو، ولقد رايته اول يوم وضع، واول يوم جلس عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ارسل رسول الله صلى الله عليه وسلم الى فلانة امراة قد سماها سهل " مري غلامك النجار ان يعمل لي اعوادا اجلس عليهن اذا كلمت الناس ". فامرته فعملها من طرفاء الغابة ثم جاء بها، فارسلت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فامر بها فوضعت ها هنا، ثم رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى عليها، وكبر وهو عليها، ثم ركع وهو عليها، ثم نزل القهقرى فسجد في اصل المنبر ثم عاد، فلما فرغ اقبل على الناس فقال " ايها الناس انما صنعت هذا لتاتموا ولتعلموا صلاتي
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (মসজিদে নাববীতে) এমন একটি (খেজুর গাছের) খুঁটি ছিল যার সাথে হেলান দিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াতেন। অতঃপর যখন তাঁর জন্য মিম্বর স্থাপন করা হল, আমরা তখন খুঁটি হতে দশ মাসের গর্ভবতী উট্নীর মত ক্রন্দন করার শব্দ শুনতে পেলাম। এমনকি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বার হতে নেমে এসে খুঁটির উপর হাত রাখলেন। (৪৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، قال حدثنا محمد بن جعفر، قال اخبرني يحيى بن سعيد، قال اخبرني ابن انس، انه سمع جابر بن عبد الله، قال كان جذع يقوم اليه النبي صلى الله عليه وسلم فلما وضع له المنبر سمعنا للجذع مثل اصوات العشار حتى نزل النبي صلى الله عليه وسلم فوضع يده عليه. قال سليمان عن يحيى اخبرني حفص بن عبيد الله بن انس انه سمع جابرا
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে মিম্বারের উপর হতে খুৎবাহ দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু‘আহর সালাতে আসে সে যেন গোসল করে নেয়। (৮৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا ابن ابي ذيب، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يخطب على المنبر فقال " من جاء الى الجمعة فليغتسل
وَقَالَ أَنَسٌ بَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ قَائِمًا. আনাস (রাযি.) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতেন। ৯২০. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুৎবাহ দিতেন। অতঃপর বসতেন এবং পুনরায় দাঁড়াতেন। যেমন তোমরা এখন করে থাক। (৯২৮ মুসলিম ৭/১০, হাঃ ৮৬১, আহমাদ ৫৭৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، قال حدثنا خالد بن الحارث، قال حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يخطب قايما ثم يقعد ثم يقوم، كما تفعلون الان
وَاسْتَقْبَلَ ابْنُ عُمَرَ وَأَنَسٌ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ الْإِمَامَ. ইবনু ‘উমার ও আনাস (রাযি.) ইমামের দিকে মুখ করতেন। ৯২১. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মিম্বারের উপর বসলেন এবং আমরা তাঁর চারদিকে (মুখ করে) বসলাম। ( ১৪৬৫, ২৮৪২, ৬৪২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معاذ بن فضالة، قال حدثنا هشام، عن يحيى، عن هلال بن ابي ميمونة، حدثنا عطاء بن يسار، انه سمع ابا سعيد الخدري، قال ان النبي صلى الله عليه وسلم جلس ذات يوم على المنبر وجلسنا حوله
رَوَاهُ عِكْرِمَةُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‘ইক্বরিমাহ (রহ.) ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। ৯২২. আসমা বিনত আবূ বাকর (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (একদিন) ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর নিকট গেলাম। লোকজন তখন সালাত আদায় করছিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, লোকদের কী হয়েছে? তখন তিনি মাথা দিয়ে আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এটা কি কোন নিদর্শন? তিনি মাথা দিয়ে ইঙ্গিত করে, হ্যাঁ বললেন। (এরপর আমিও তাঁদের সঙ্গে সালাত যোগ দিলাম) অতঃপর রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত এত দীর্ঘায়িত করলেন যে, আমি প্রায় অজ্ঞান হতে যাচ্ছিলাম। আমার পার্শ্বেই একটি চামড়ার মশকে পানি রাখা ছিল। আমি সেটা খুললাম এবং আমার মাথায় পানি দিতে লাগলাম। অতঃপর যখন সূর্য উজ্জ্বল হয়ে উঠলো তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত সমাপ্ত করলেন এবং লোকজনের উদ্দেশ্যে খুৎবা পেশ করলেন। প্রথমে তিনি আল্লাহর যথোপযুক্ত প্রশংসা করলেন। অতঃপর বললেন, আম্মা বা‘দু। আসমা (রাযি.) বলেন, তখন কয়েকজন আনসারী মহিলা শোরগোল করছিলেন। তাই আমি চুপ করাবার উদ্দেশে তাঁদের প্রতি ঝুঁকে পড়লাম। অতঃপর ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী বললেন? ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেন, তিনি বলেছেন, এমন কোন জিনিস নেই যা আমাকে দেখানো হয়নি আমি এ জায়গা হতে সব কিছুই দেখেছি। এমন কি জান্নাত ও জাহান্নাম দেখলাম। আমার নিকট ওয়াহী পাঠান হয়েছে যে, তোমাদেরকে কবরে মাসীহ্ দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় অথবা তিনি বলেছেন, সে ফেতনার কাছাকাছি ফিতনায় ফেলা হবে। (অর্থাৎ তোমাদেরকে পরীক্ষার সম্মুখীন করা হবে) তোমাদের প্রত্যেককে (কবরে) উঠানো এবং প্রশ্ন করা হবে, এ ব্যক্তি (রাসূলুল্লাহ্) সম্পর্কে তুমি কী জান? তখন মু’মিন অথবা মুকিন (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’টোর মধ্যে কোন শব্দটি বলেছিলেন এ ব্যাপারে বর্ণনাকারী হিশামের মনে সন্দেহ রয়েছে) বলবে, তিনি হলেন, আল্লাহর রাসূল, তিনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , তিনি আমাদের নিকট সুস্পষ্ট দালীল ও হিদায়াত নিয়ে এসেছিলেন। অতঃপর আমরা ঈমানএনেছি, তাঁর আহবানে সাড়া দিয়েছি, তাঁর আনুগত্য করেছি এবং তাঁকে সত্য বলে গ্রহণ করেছি। তখন তাঁকে বলা হবে, তুমি ঘুমিয়ে থাক, যেহেতু তুমি নেককার। তুমি যে তাঁর প্রতি ঈমান এনেছ তা আমরা অবশ্যই জানতাম। আর মুনাফিক বা মুরতাব (সন্দেহ পোষণকারী) (এ দু’টোর মধ্যে কোন্ শব্দটি বলেছিলেন এ সম্পর্কে বর্ণনাকারী হিশামের মনে সন্দেহ রয়েছে)-কেও প্রশ্ন করা হবে যে, এ ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কী জান? উত্তরে সে বলবে, আমি কিছুই জানি না। অবশ্য মানুষকে তাঁর সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছি, আমিও তাই বলতাম। হিশাম (রহ.) বলেন, ফাতিমা (রাযি.) আমার নিকট যা বলেছেন, তা সবটুকু আমি উত্তমরূপে স্মরণ রেখেছি। তবে তিনি ওদের প্রতি যে কঠোরতা করা হবে তাও উল্লেখ করেছেন। (৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
‘আমর ইবনু তাগলিব (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু মাল বা কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী উপস্থিত করা হলে তিনি তা বণ্টন করে দিলেন। বণ্টনের সময় কিছু লোককে দিলেন এবং কিছু লোককে বাদ দিলেন। অতঃপর তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছলো যে, যাদের তিনি দেননি, তারা অসন্তুষ্ট হয়েছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর প্রশংসা করলেন ও তাঁর মহিমা বর্ণনা করলেন, অতঃপর বললেনঃ আম্মা বা‘দ। আল্লাহর শপথ! আমি কোন লোককে দেই আর কোন লোককে দেই না। যাকে আমি দেই না, সে যাকে আমি দেই তার চেয়ে আমার নিকট অধিক প্রিয়। তবে আমি এমন লোকদের দেই যাদের অন্তরে অধৈর্য ও মালের প্রতি লিপ্সা দেখতে পাই; আর কিছু লোককে আল্লাহ্ যাদের অন্তরে অমুখাপেক্ষিতা ও কল্যাণ রেখেছেন, তাদের সে অবস্থার উপর ন্যস্ত করি। তাদের মধ্যে আমর ইবনু তাগলিব একজন। বর্ণনাকারী ‘আমর ইবনু তাগলিব (রাযি.) বলেন, আল্লাহর শপথ! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এ বাণীর পরিবর্তে আমি লাল উটও* পছন্দ করি না। (৩১৪৫, ৭৫৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن معمر، قال حدثنا ابو عاصم، عن جرير بن حازم، قال سمعت الحسن، يقول حدثنا عمرو بن تغلب، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتي بمال او سبى فقسمه، فاعطى رجالا وترك رجالا فبلغه ان الذين ترك عتبوا، فحمد الله ثم اثنى عليه، ثم قال " اما بعد، فوالله اني لاعطي الرجل، وادع الرجل، والذي ادع احب الى من الذي اعطي ولكن اعطي اقواما لما ارى في قلوبهم من الجزع والهلع، واكل اقواما الى ما جعل الله في قلوبهم من الغنى والخير، فيهم عمرو بن تغلب ". فوالله ما احب ان لي بكلمة رسول الله صلى الله عليه وسلم حمر النعم. تابعه يونس
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক রাতের মধ্যভাগে বের হলেন এবং মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করলেন। তাঁর সঙ্গে সাহাবীগণও সালাত আদায় করলেন, সকালে তাঁরা এ নিয়ে আলোচনা করলেন। ফলে (দ্বিতীয় রাতে) এর চেয়ে অধিক সংখ্যক সহাবা একত্রিত হলেন এবং তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলেন। পরের দিন সকালেও তাঁরা এ সম্পর্কে আলোচনা করলেন। ফলে তৃতীয় রাতে মসজিদে লোকসংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পেল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং সাহাবীগণ তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলেন। চতুর্থ রাতে মসজিদে মুসল্লীগণের স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। অবশেষে তিনি ফজরের সালাতের জন্য বের হলেন এবং ফজরের সালাত শেষ করে লোকদের দিকে ফিরলেন। অতঃপর আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেনঃ আম্মা বা‘দ (তারপর বক্তব্য এই যে) এখানে তোমাদের উপস্থিতি আমার নিকট গোপন ছিল না, কিন্তু আমার আশংকা ছিল, তা তোমাদের জন্য ফরজ করে দেয়া হয় আর তোমরা তা আদায় করতে অপারগ হয়ে পড়। (৭২৯ মুসলিম ৬/২৫, হাঃ ৭৬১, আহমাদ ৪৫৪১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة، ان عايشة، اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج ذات ليلة من جوف الليل، فصلى في المسجد، فصلى رجال بصلاته فاصبح الناس فتحدثوا، فاجتمع اكثر منهم فصلوا معه، فاصبح الناس فتحدثوا فكثر اهل المسجد من الليلة الثالثة، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلوا بصلاته، فلما كانت الليلة الرابعة عجز المسجد عن اهله حتى خرج لصلاة الصبح، فلما قضى الفجر اقبل على الناس، فتشهد ثم قال " اما بعد فانه لم يخف على مكانكم، لكني خشيت ان تفرض عليكم فتعجزوا عنها ". تابعه يونس
আবূ হুমায়দ সা‘ঈদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। এক সন্ধ্যায় সালাতের পর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং শাহাদাত বাণী পাঠ করলেন। আর যথাযথভাবে আল্লাহর প্রশংসা করলেন। অতঃপর বললেন, ‘আম্মা বা‘দ’। (১৫০০, ২৫৯৭, ৬৬৩৬, ৬৯৭৯, ৭১৭৪, ৭১৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، قال اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عروة، عن ابي حميد الساعدي، انه اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قام عشية بعد الصلاة، فتشهد واثنى على الله بما هو اهله ثم قال " اما بعد ". تابعه ابو معاوية وابو اسامة عن هشام عن ابيه عن ابي حميد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اما بعد ". تابعه العدني عن سفيان في اما بعد
মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন। অতঃপর আমি তাঁকে তাওহীদের সাক্ষ্য বাণী পাঠান্তে বলতে শুনলাম, ‘আম্মা বা‘দ’। (৩১১০, ৩৭১৪, ৩৭২৯,৩৭৬৭, ৫২৩০, ৫২৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، قال اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني علي بن حسين، عن المسور بن مخرمة، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد يقول " اما بعد ". تابعه الزبيدي عن الزهري
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরের উপর আরোহণ করলেন। এ ছিল তাঁর জীবনের শেষ মাজলিস। তিনি বসেছিলেন, তাঁর দু’ কাঁধের উপর বড় চাদর জড়ানো ছিল এবং মাথায় বাঁধা ছিল কালো পট্টি। তিনি আল্লাহর গুণকীর্তন করলেন এবং তাঁর মহিমা বর্ণনা করলেন, অতঃপর বললেন, হে লোক সকল! তোমরা আমার নিকট আস। লোকজন তাঁর নিকট একত্র হলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ ‘আম্মা বা‘দ’। শুনে রাখ, এ আনসার গোত্র সংখ্যায় কমতে থাকবে এবং অন্য লোকেরা সংখ্যায় বাড়তে থাকবে। কাজেই যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উম্মাতের কোন বিষয়ের কর্তৃত্ব লাভ করবে এবং সে এর সাহায্যে কারো ক্ষতি বা উপকার করার সুযোগ পাবে, সে যেন এই আনসারদের সৎ লোকদের ভাল কাজগুলো গ্রহণ করে এবং তাদের মন্দ কাজগুলো মাফ করে দেয়। (৩৬২৮, ৩৮০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن ابان، قال حدثنا ابن الغسيل، قال حدثنا عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال صعد النبي صلى الله عليه وسلم المنبر وكان اخر مجلس جلسه متعطفا ملحفة على منكبيه، قد عصب راسه بعصابة دسمة، فحمد الله واثنى عليه ثم قال " ايها الناس الى ". فثابوا اليه ثم قال " اما بعد، فان هذا الحى من الانصار يقلون، ويكثر الناس، فمن ولي شييا من امة محمد صلى الله عليه وسلم فاستطاع ان يضر فيه احدا او ينفع فيه احدا، فليقبل من محسنهم، ويتجاوز عن مسيهم
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ খুৎবাহ দিতেন আর দু’ খুৎবাহর মধ্যখানে বসতেন। (৯২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا بشر بن المفضل، قال حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن عبد الله، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يخطب خطبتين يقعد بينهما
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জুমু‘আহর দিন মসজিদের দরজায় মালাইকাহ অবস্থান করেন এবং ক্রমানুসারে পূর্বে আগমণকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার পূর্বে সে আসে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি মোটাতাজা উট কুরবানী করে। অতঃপর যে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি গাভী কুরবানী করে, অতঃপর মেষ কুরবানী করার ন্যায়। অতঃপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগী দানকারীর ন্যায়। অতঃপর আগমনকারী ব্যক্তি একটি ডিম দানকারীর ন্যায়। অতঃপর ইমাম যখন বের হন তখন মালাইকাহ তাঁদের খাতা বন্ধ করে দিয়ে মনোযোগ সহকারে খুৎবাহ শ্রবণ করতে থাকে। (৩২১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا ابن ابي ذيب، عن الزهري، عن ابي عبد الله الاغر، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا كان يوم الجمعة، وقفت الملايكة على باب المسجد يكتبون الاول فالاول، ومثل المهجر كمثل الذي يهدي بدنة، ثم كالذي يهدي بقرة، ثم كبشا، ثم دجاجة، ثم بيضة، فاذا خرج الامام طووا صحفهم، ويستمعون الذكر
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (কোন এক) জুমু‘আহর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের সামনে খুৎবাহ দিচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে অমুক! তুমি কি সালাত আদায় করেছ? সে বলল, না; তিনি বললেন, উঠ, সালাত আদায় করে নাও।* (৯৩১, ১১৬৬; মুসলিম ৭/১৪, হাঃ ৮৭৫, আহমাদ ১৪৯১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، قال حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، قال جاء رجل والنبي صلى الله عليه وسلم يخطب الناس يوم الجمعة فقال " اصليت يا فلان ". قال لا. قال " قم فاركع
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক জুমু‘আহর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ দেয়ার সময় এক ব্যক্তি প্রবেশ করলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সালাত আদায় করেছ কি? সে বলল, না; তিনি বললেনঃ উঠ, দু’ রাক‘আত সালাত আদায় কর। (৯৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، قال دخل رجل يوم الجمعة والنبي صلى الله عليه وسلم يخطب فقال " اصليت ". قال لا. قال " فصل ركعتين
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক জুমু‘আহর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ দিচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! (পানির অভাবে) ঘোড়া মরে যাচ্ছে, ছাগল বকরীও মরে যাচ্ছে। কাজেই আপনি দু’আ করুন, যেন আল্লাহ্ আমাদেরকে বৃষ্টি দান করেন। তখন তিনি দু’ হাত প্রসারিত করলেন এবং দু‘আ করলেন। (৯৩৩, ১০১৩, ১০১৪, ১০১৫, ১০১৬, ১০১৭, ১০১৮, ১০১৯, ১০২১, ১০২৯, ১০৩৩, ৩৫৮২, ৬০৯৩, ৬৩৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا حماد بن زيد، عن عبد العزيز، عن انس،. وعن يونس، عن ثابت، عن انس، قال بينما النبي صلى الله عليه وسلم يخطب يوم الجمعة اذ قام رجل فقال يا رسول الله، هلك الكراع، وهلك الشاء، فادع الله ان يسقينا. فمد يديه ودعا
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে একবার দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। সে সময় কোন এক জুমু‘আহর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুৎবাহ দিচ্ছিলেন। তখন এক বেদুইন উঠে দাঁড়াল এবং আরয করল, হে আল্লাহর রাসূল! (বৃষ্টির অভাবে) সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পরিবার পরিজনও অনাহারে রয়েছে। তাই আপনি আল্লাহর নিকট আমাদের জন্য দু‘আ করুন। তিনি দু’ হাত তুললেন। সে সময় আমরা আকাশে এক খন্ড মেঘও দেখিনি। যাঁর হাত আমার প্রাণ, তাঁর শপথ (করে বলছি)! (দু‘আ শেষে) তিনি দু’ হাত (এখনও) নামান নি, এমন সময় পাহাড়ের ন্যায় মেঘের বিরাট বিরাট খন্ড উঠে আসল। অতঃপর তিনি মিম্বার হতে নীচে নামেননি, এমন সময় দেখতে পেলাম তাঁর দাড়ির উপর ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি পড়ছে। সে দিন আমাদের এখানে বৃষ্টি হল। এর পরে ক্রমাগত দু’দিন এবং পরবর্তী জুমু‘আহ পর্যন্ত প্রত্যেক দিন। (পরবর্তী জুমু‘আহর দিন) সে বেদুইন অথবা অন্য কেউ উঠে দাঁড়াল এবং আরয করল, হে আল্লাহর রাসূল! (বৃষ্টির কারণে) এখন আমাদের বাড়ি ঘর ধ্বসে পড়ছে, সম্পদ ডুবে যাচ্ছে। তাই আপনি আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন। তখন তিনি দু’ হাত তুললেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহ্ আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকায় (বৃষ্টি দাও), আমাদের উপর নয়। (দু‘আর সময়) তিনি মেঘের এক একটি খন্ডের দিকে ইশারা করছিলেন, আর সেখানকার মেঘ কেটে যাচ্ছিল। এর ফলে চতুর্দিকে মেঘ পরিবেষ্টিত অবস্থায় ঢালের ন্যায় মদিনার আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেলে এবং কানাত উপত্যকার পানি একমাস ধরে প্রবাহিত হতে লাগল, তখন (মদিনার) চারপাশের যে কোন অঞ্চল হতে যে কেউ এসেছে, সে এ প্রবল বৃষ্টির কথা আলোচনা করেছে। (৯৩২; মুসলিম ৯/২, হাঃ ৮৯৭, আহমাদ ১৩৬৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، قال حدثنا الوليد، قال حدثنا ابو عمرو، قال حدثني اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، عن انس بن مالك، قال اصابت الناس سنة على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فبينا النبي صلى الله عليه وسلم يخطب في يوم جمعة قام اعرابي فقال يا رسول الله هلك المال وجاع العيال، فادع الله لنا. فرفع يديه، وما نرى في السماء قزعة، فوالذي نفسي بيده ما وضعها حتى ثار السحاب امثال الجبال، ثم لم ينزل عن منبره حتى رايت المطر يتحادر على لحيته صلى الله عليه وسلم فمطرنا يومنا ذلك، ومن الغد، وبعد الغد والذي يليه، حتى الجمعة الاخرى، وقام ذلك الاعرابي او قال غيره فقال يا رسول الله، تهدم البناء وغرق المال، فادع الله لنا. فرفع يديه، فقال " اللهم حوالينا، ولا علينا ". فما يشير بيده الى ناحية من السحاب الا انفرجت، وصارت المدينة مثل الجوبة، وسال الوادي قناة شهرا، ولم يجي احد من ناحية الا حدث بالجود
وَإِذَا قَالَ لِصَاحِبِهِ أَنْصِتْ فَقَدْ لَغَا وَقَالَ سَلْمَانُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُنْصِتُ إِذَا تَكَلَّمَ الْإِمَامُ. যদি কেউ তার সাথীকে (মুসল্লীকে বলে) চুপ থাক, তাহলে সে একটি অনর্থক কথা বললো। সালমান ফারসী (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, যখন ইমাম কথা বলবেন, তখন চুপ থাকবে। ৯৩৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমু‘আহর দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুৎবাহ দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি অনর্থক কথা বললে। (মুসলিম ৭/৩, হাঃ ৮৫১, আহমাদ ৭৬৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني سعيد بن المسيب، ان ابا هريرة، اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا قلت لصاحبك يوم الجمعة انصت. والامام يخطب فقد لغوت
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং বলেন, এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে অবশ্যই তা দিয়ে থাকেন এবং তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত। (৫২৯৪, ৬৪০০; মুসলিম ৭/৪, হাঃ ৮৫২, আহমাদ ১০৩০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৮৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر يوم الجمعة فقال " فيه ساعة لا يوافقها عبد مسلم، وهو قايم يصلي، يسال الله تعالى شييا الا اعطاه اياه ". واشار بيده يقللها
وقال محمود حدثنا ابو اسامة، قال حدثنا هشام بن عروة، قال اخبرتني فاطمة بنت المنذر، عن اسماء بنت ابي بكر، قالت دخلت على عايشة رضى الله عنها والناس يصلون قلت ما شان الناس فاشارت براسها الى السماء. فقلت اية فاشارت براسها اى نعم. قالت فاطال رسول الله صلى الله عليه وسلم جدا حتى تجلاني الغشى والى جنبي قربة فيها ماء ففتحتها فجعلت اصب منها على راسي، فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد تجلت الشمس، فخطب الناس، وحمد الله بما هو اهله ثم قال " اما بعد ". قالت ولغط نسوة من الانصار، فانكفات اليهن لاسكتهن فقلت لعايشة ما قال قالت قال " ما من شىء لم اكن اريته الا قد رايته في مقامي هذا حتى الجنة والنار، وانه قد اوحي الى انكم تفتنون في القبور مثل او قريب من فتنة المسيح الدجال، يوتى احدكم، فيقال له ما علمك بهذا الرجل فاما المومن او قال الموقن شك هشام فيقول هو رسول الله، هو محمد صلى الله عليه وسلم جاءنا بالبينات والهدى فامنا واجبنا واتبعنا وصدقنا. فيقال له نم صالحا، قد كنا نعلم ان كنت لتومن به. واما المنافق او قال المرتاب شك هشام فيقال له ما علمك بهذا الرجل فيقول لا ادري، سمعت الناس يقولون شييا فقلته ". قال هشام فلقد قالت لي فاطمة فاوعيته، غير انها ذكرت ما يغلظ عليه