Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৯ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ২০. আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রাঃ) বর্ণনা করেন- আমরা যখন মদীনায় আসিলাম তখন মদীনার মহামারীরূপী প্রচণ্ড জ্বর আমাদেরও আক্রমণ করিয়া বসিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের নিকট আগমন করিলেন, তখন তাহারা (সাহাবীগণ) তাহদের নফল নামায বসিয়া পড়িতেছিলেন। (ইহা দেখিয়া) তিনি ইরশাদ করিলেনঃ বসিয়া নামায আদায়কারীর নামায (সওয়াবের বেলায়) দাঁড়াইয়া আদায়কারীর নামাযের অর্ধেকের মত।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، انه قال لما قدمنا المدينة نالنا وباء من وعكها شديد فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم على الناس وهم يصلون في سبحتهم قعودا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلاة القاعد مثل نصف صلاة القايم
রেওয়ায়ত ২১. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী হাফসা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কখনও নফল নামায বসিয়া পড়িতে দেখি নাই। কিন্তু তাহার ওফাতের মাত্র এক বৎসর পূর্ব হইতে তিনি নফল নামায বসিয়া পড়িতেন এবং তরতীবের (স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করা) সাথে সূরা তিলাওয়াত করিতেন। ফলে (পঠিত) সূরা অনেক বড় মনে হইত সেই সূরা হইতে যেই সূরা (প্রকৃতপক্ষে) এই সূরা হইতে লম্বা।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن السايب بن يزيد، عن المطلب بن ابي وداعة السهمي، عن حفصة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت ما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في سبحته قاعدا قط حتى كان قبل وفاته بعام فكان يصلي في سبحته قاعدا ويقرا بالسورة فيرتلها حتى تكون اطول من اطول منها
রেওয়ায়ত ২২. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ বয়স বেশি না হওয়া পর্যন্ত তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রাত্রির নামায (তাহাজ্জুদ) বসিয়া পড়িতে দেখেন নাই। (বয়ঃবৃদ্ধির পর) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসিয়া নামায পড়িতেন। তবে যখন রুকু করিতে মনস্থ করিতেন, তখন দাঁড়াইয়া যাইতেন এবং তারপর অন্তত ত্রিশ-চল্লিশ আয়াত তিলাওয়াত করিতেন, তারপর রুকূ করিতেন।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها اخبرته انها لم تر رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي صلاة الليل قاعدا قط حتى اسن فكان يقرا قاعدا حتى اذا اراد ان يركع قام فقرا نحوا من ثلاثين او اربعين اية ثم ركع
রেওয়ায়ত ২৩. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসিয়া নামায পড়িতেন। তিনি বসা অবস্থায়ই কিরাআত (কুরআন পাঠ) করিতেন। যখন তাহার ত্রিশ-চল্লিশ আয়াতের মত পড়া অবশিষ্ট থাকিত তখন তিনি দাঁড়াইয়া যাইতেন, তারপর দাঁড়ানো অবস্থায়ই কিরাআত পাঠ করিতেন, অতঃপর রুকু ও সিজদা করিতেন। দ্বিতীয় রাকাআতেও তিনি অনুরূপ করিতেন।
وحدثني عن مالك، عن عبد الله بن يزيد المدني، وعن ابي النضر، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي جالسا فيقرا وهو جالس فاذا بقي من قراءته قدر ما يكون ثلاثين او اربعين اية قام فقرا وهو قايم ثم ركع وسجد ثم صنع في الركعة الثانية مثل ذلك
রেওয়ায়ত ২৪. মালিক (রহঃ) বলেন- তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উরওয়া ইবন যুবায়র (রাঃ) ও সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) তাহারা উভয়েই নফল নামায বসিয়া পড়িতেন ‘ইহতিবা’ এর অবস্থায়। (ইহতিবা হইল দুই হাঁটুকে পেটের সঙ্গে লাগাইয়া হাত দ্বারা বেড়ি করিয়া বসা।)
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، كانا يصليان النافلة وهما محتبيان
রেওয়ায়ত ২৫. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-এর মাওলা (مولى) আবূ ইউনুস বর্ণনা করেন, আমাকে আয়েশা (রাঃ) তাহার জন্য একটি (مصحف) মুসহাফ (কুরআন মাজীদ) লিখিবার নির্দেশ দিলেন। ইহাও বললেনঃ যখন তুমি (حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ) এই আয়াতে পৌছ, তখন আমাকে অবহিত করবে। আমি যখন উক্ত আয়াতে পৌছিলাম, উহাকে খবর দিলাম। তিনি তারপর এইভাবে লিখাইলেনঃ (حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَصَلاَةِ الْعَصْرِ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ) অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি ইহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে শুনিয়াছি।
حدثني يحيى، عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن القعقاع بن حكيم، عن ابي يونس، مولى عايشة ام المومنين انه قال امرتني عايشة ان اكتب لها مصحفا ثم قالت اذا بلغت هذه الاية فاذني {حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وقوموا لله قانتين} فلما بلغتها اذنتها فاملت على حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر وقوموا لله قانتين قالت عايشة سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم
রেওয়ায়ত ২৬. আমর ইবন নাফি’ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি হাফসা (রাঃ)-এর জন্য মুসহাফ (কুরআন পাক) লিখিতাম, তিনি আমাকে বলিলেন, যখন তুমি (حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ) এই আয়াতে পৌছ, তখন আমাকে খবর দিও। আমি ঐ আয়াতে পৌছিলে তাহাকে জানাইলাম; তখন তিনি আমার দ্বারা (এইরূপ) লিখাইলেনঃ (حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَصَلاَةِ الْعَصْرِ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ)
وحدثني عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن عمرو بن رافع، انه قال كنت اكتب مصحفا لحفصة ام المومنين فقالت اذا بلغت هذه الاية فاذني {حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وقوموا لله قانتين } فلما بلغتها اذنتها فاملت على حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر وقوموا لله قانتين
রেওয়ায়ত ২৭. ইবন ইয়ারবু মাখযুমী (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, সালাতুল উসতা (মধ্যবর্তী নামায) হইল যোহরের নামায।
وحدثني عن مالك، عن داود بن الحصين، عن ابن يربوع المخزومي، انه قال سمعت زيد بن ثابت، يقول الصلاة الوسطى صلاة الظهر
রেওয়ায়ত ২৮. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আলী ইবন আবি তালিব ও আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) তাহারা উভয়ে বলিতেনঃ সালাতুল উসতা হইল ফজরের নামায। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ এ বিষয়ে অন্যান্য উক্তির মধ্যে আমার নিকট আলী ইবন আবি তালিব ও আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর উক্তিই পছন্দনীয়।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان علي بن ابي طالب، وعبد الله بن عباس، كانا يقولان الصلاة الوسطى صلاة الصبح . قال مالك وقول علي وابن عباس احب ما سمعت الى في ذلك
রেওয়ায়ত ২৯. উমর ইবন আবি সালমা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে উম্মু সালমা (রাঃ)-এর ঘরে এক কাপড় পরিধান করিয়া নামায পড়িতে দেখিয়াছেন, তিনি তখন চাদরের বাম প্রান্তকে বাম বগলের নিচের দিক দিয়া উঠাইয়া ডান কাধের উপর রাখিতেন এবং চাদরের ডান প্রান্তকে ডান বগলের নিচের দিকে দিয়া উঠাইয়া বাম কাধের উপর রাখিতেন, তাহাতে চাদরের দুই প্রান্ত দুই কাঁধের উপর পড়িয়া থাকিত।
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عمر بن ابي سلمة، انه راى رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب واحد مشتملا به في بيت ام سلمة واضعا طرفيه على عاتقيه
রেওয়ায়ত ৩০. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, জনৈক প্রশ্নকারী এক কাপড় পরিধান করিয়া নামায পড়া যায় কিনা সেই সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করিয়াছিল; রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উত্তরে) বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের কাছে কি দুইটি করিয়া কাপড় আছে?
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان سايلا، سال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في ثوب واحد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اولكلكم ثوبان
রেওয়ায়ত ৩১. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হইয়াছেঃ কোন ব্যক্তি এক কাপড়ে নামায পড়িতে পারে কি? তিনি (উত্তরে) বলিলেনঃ হ্যাঁ। আবার তাহাকে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ আপনি কি ইহা করেন? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, আমি এক কাপড় পরিধান করিয়া নামায পড়ি, অথচ আমার অনেক কাপড় আলনায় রাখা থাকে।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، انه قال سيل ابو هريرة هل يصلي الرجل في ثوب واحد فقال نعم . فقيل له هل تفعل انت ذلك فقال نعم اني لاصلي في ثوب واحد وان ثيابي لعلى المشجب
রেওয়ায়ত ৩২. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, জাবির ইন আবদুল্লাহ (রাঃ) এককাপড়ে নামায পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان جابر بن عبد الله، كان يصلي في الثوب الواحد
রেওয়ায়ত ৩৩. রবী’আ ইবন আবি আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন হাযম একটি মাত্র কোর্তা পরিধান করিয়া নামায পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، ان محمد بن عمرو بن حزم، كان يصلي في القميص الواحد
রেওয়ায়ত ৩৪. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ দুই কাপড় যাহার না থাকে সে এক কাপড় পরিধান করিয়া নামায পড়িবে এবং উপরে-নিচে মুড়ি দিয়া লইবে। আর কাপড় ছোট হইলে লুঙ্গির মত পরিধান করিবে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি এক কোর্তা পরিধান করিয়া নামায পড়ে, তাহার জন্য আমার মতে ইহা ভাল যে, তাহার উভয় গর্দানে কোন কাপড় অথবা পাগড়ির কিছু অংশ রাখিয়া দিবে।
وحدثني عن مالك، انه بلغه عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من لم يجد ثوبين فليصلي في ثوب واحد ملتحفا به فان كان الثوب قصيرا فليتزر به
রেওয়ায়ত ৩৫. মালিক (রহঃ) বর্ণনা করেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) কামিজ ও সরবন্দ পরিধান করিয়া নামায পড়িতেন।
حدثني يحيى، عن مالك، انه بلغه ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تصلي في الدرع والخمار
রেওয়ায়ত ৩৬. মুহাম্মদ ইবন যায়দের মাতা (রহঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করিয়াছেনঃ মেয়েরা কি কি কাপড় পরিধান করিয়া নামায পড়িবে? তিনি বলিয়াছেনঃ যাহা উভয় পায়ের উপরিভাগ আবৃত করিয়া ফেলে, এইরূপ পূর্ণ জামা ও সরবন্দ পরিধান করিয়া নামায পড়িবে।
وحدثني عن مالك، عن محمد بن زيد بن قنفذ، عن امه، انها سالت ام سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ماذا تصلي فيه المراة من الثياب فقالت تصلي في الخمار والدرع السابغ اذا غيب ظهور قدميها
রেওয়ায়ত ৩৭. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাঃ)-এর পালক সন্তান উবায়দুল্লাহ খাওলানী (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, মায়মুনা (রাঃ) জামা ও সরবন্দ পরিধান করিয়া নামায পড়িতেন। অথচ তাহার গায়ে ইযার থাকিত না।
وحدثني عن مالك، عن الثقة، عنده عن بكير بن عبد الله بن الاشج، عن بسر بن سعيد، عن عبيد الله بن الاسود الخولاني، وكان، في حجر ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان ميمونة كانت تصلي في الدرع والخمار ليس عليها ازار
রেওয়ায়ত ৩৮. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তাহার নিকট জনৈক মহিলা এই মর্মে ফতওয়া জিজ্ঞাসা করিলঃ যদি কোমরবন্দ বাঁধিতে অসুবিধা হয়, তবে আমি শুধু জামা ও সরবন্দ পরিধান করিয়া নামায পড়িতে পারি কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, যদি জামা পূর্ণাঙ্গ হয় (অর্থাৎ পা ঢাকিয়া লয়)।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان امراة، استفتته فقالت ان المنطق يشق على افاصلي في درع وخمار فقال نعم اذا كان الدرع سابغا